গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
মাঠ প্রশাসনে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতিবঞ্চিত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সুযোগ সৃষ্টি ও প্রশাসনিক বৈষম্য নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বাংলাদেশ মাঠপ্রশাসন প্রশাসনিক কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি, গোপালগঞ্জ জেলা কমিটি।
২০ আগস্ট সংগঠনটির পক্ষ থেকে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফুজ্জামানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, মাঠ প্রশাসনে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে জনগণের সেবা করে আসছেন। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে কর্মরত ১০ম গ্রেডভুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা বাস্তবায়ন, দুর্যোগ মোকাবিলা, জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনা, স্থানীয় সরকার কার্যক্রমে সহযোগিতা, সিটিজেন চার্টার বাস্তবায়ন ও রাজস্ব আদায়সহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
তবে সংগঠনটির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকর্তা পদোন্নতির সুযোগ থেকে বঞ্চিত। মাঠ প্রশাসনে কর্মরত প্রায় ৮৩০ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তার চাকরিজীবনে পদোন্নতির কোনো সুযোগ বা ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার সোপান নেই।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’-এর বিধান অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ক্যারিয়ার প্ল্যানিং প্রণয়ন করা প্রয়োজন। কিন্তু মাঠ প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তা একই পদে ২০ থেকে ২৫ বছর চাকরি করেও পদোন্নতি ছাড়াই অবসরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে তাদের কর্মস্পৃহা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতিশীলতা ব্যাহত হচ্ছে।
এ অবস্থায় মাঠ প্রশাসনে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য পদোন্নতির সোপান সৃষ্টি, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও উপজেলা প্রশাসনে উচ্চতর গ্রেডের পদ সৃজন এবং যোগ্য ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতির ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে দীর্ঘদিনের পদোন্নতিবঞ্চনা ও প্রশাসনিক বৈষম্য নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
মাঠ প্রশাসনে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতিবঞ্চিত প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সুযোগ সৃষ্টি ও প্রশাসনিক বৈষম্য নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বাংলাদেশ মাঠপ্রশাসন প্রশাসনিক কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি, গোপালগঞ্জ জেলা কমিটি।
২০ আগস্ট সংগঠনটির পক্ষ থেকে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ আরিফুজ্জামানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, মাঠ প্রশাসনে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে জনগণের সেবা করে আসছেন। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে কর্মরত ১০ম গ্রেডভুক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা বাস্তবায়ন, দুর্যোগ মোকাবিলা, জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচন পরিচালনা, স্থানীয় সরকার কার্যক্রমে সহযোগিতা, সিটিজেন চার্টার বাস্তবায়ন ও রাজস্ব আদায়সহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
তবে সংগঠনটির দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকর্তা পদোন্নতির সুযোগ থেকে বঞ্চিত। মাঠ প্রশাসনে কর্মরত প্রায় ৮৩০ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তার চাকরিজীবনে পদোন্নতির কোনো সুযোগ বা ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার সোপান নেই।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’-এর বিধান অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ক্যারিয়ার প্ল্যানিং প্রণয়ন করা প্রয়োজন। কিন্তু মাঠ প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তা একই পদে ২০ থেকে ২৫ বছর চাকরি করেও পদোন্নতি ছাড়াই অবসরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে তাদের কর্মস্পৃহা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতিশীলতা ব্যাহত হচ্ছে।
এ অবস্থায় মাঠ প্রশাসনে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য পদোন্নতির সোপান সৃষ্টি, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও উপজেলা প্রশাসনে উচ্চতর গ্রেডের পদ সৃজন এবং যোগ্য ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতির ব্যবস্থা করার দাবি জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে দীর্ঘদিনের পদোন্নতিবঞ্চনা ও প্রশাসনিক বৈষম্য নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়
Leave a Reply