নিজস্ব প্রতিবেদক :
গোপালগঞ্জে প্রেমের সম্পর্কের জেরে মাহামুদুল হাসান আজমাইন (১৬) নামে এক যুবককে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তিনি বর্তমানে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পরিবারের দাবি। মাহামুদুল হাসান আজমাইন গোপালগঞ্জ শহরের ব্যাংকপাড়া ভাড়া বাসার আরিফুল ইসলামের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মুকসুদপুর উপজেলার মোল্যাদি গ্রামের ঐশী (১৬) নামে এক তরুণীর সঙ্গে আজমাইনের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ সময় তাদের মধ্যে নিয়মিত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ হতো। তবে মেয়ের পরিবার এ সম্পর্ক মেনে নেয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের।
পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার রাতে ঐশী মোবাইল ফোনে আজমাইনকে ডেকে নেন। পরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সেখানে অবস্থানরত কয়েকজন ব্যক্তি তাকে অস্ত্র ঠেকিয়ে একটি সাদা গাড়িতে করে তুলে নিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে এবং জোর করে চেতনা-নাশক ওষুধ খাইয়ে হরিদাসপুর রেলব্রীজের পাশের রেললাইনের ওপর ফেলে রেখে চলে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা আহত অবস্থায় আজমাইনকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে তাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই রেললাইনের ওপর ফেলে রাখা হয়েছিল, যাতে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে প্রচার করা যায়। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিÍর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভিকটিমের ছোট চাচা তামজেদ মোল্যা বাদী হয়ে নামধারী ৩ জন ও অজ্ঞাত ১০ জনকে আসামী করে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি রেকর্ড করে আসামী চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোড় দাবী জানান ভুক্তভূগী পরিবার।
Leave a Reply