শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মুকসুদপুর ও কোটালীপাড়ায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন কারাদন্ড কাশিয়ানীতে শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন নড়াইলে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার গোপালগঞ্জে নজরুল বর্ষ উদযাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ইফা কর্মকর্তা কল্যাণ অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ নড়াইলের পানিপাড়ায় দেশের প্রথম ভাসমান গলফ ড্রাইভিং রেঞ্জ নির্মাণের কাজ শুরু আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গোপালগঞ্জে কোনো মিছিল-সমাবেশ হয়নি, গ্রেফতার ৬ গোপালগঞ্জে শান্তি-শৃঙ্খলা উন্নয়নে যুবদের ভূমিকা বিষয়ক জনসচেতনতামূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

গোপালগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের মাঝে চেক বিতরণ

  • Update Time : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫, ৫.৫১ এএম
  • ৩৬৭ Time View

রাজিয়া সুলতানাঃ
গোপালগঞ্জ জেলায় বিভিন্ন সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮ জনের পরিবারের মাঝে মঞ্জুরিকৃত ৪০ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার (০৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিআরটিএ’র ট্রাস্টি বোর্ড কর্তৃক এসব চেক বিতরণ করা হয়।

বিআরটিএ’র গোপালগঞ্জ সার্কেল এর আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক জিয়া, বিআরটিএর সহকারী পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার লায়লাতুল মাওয়া , মোটরযান পরিদর্শক ও সাংবাদিকবৃন্দ।

বিআরটিএ এর ট্রাষ্টি বোর্ড এর সহায়তায় গোপালগঞ্জে বিভিন্ন স্থানে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহতের পরিবারের মাঝে মাথাপিছু পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ৪০ লাখ টাকার চেক প্রদান করা হয়। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ কামরুজ্জামানের হাত থেকে চেক গ্রহণ করেন, রুপা ইসলাম ছোট মনি, মোঃ আবু হাসান, নার্গিছ বেগম, মো: আবু হাসান,তাছলিমা বেগম, আব্দুল জব্বার শেখ, আফসানা আহমেদ ও আকলিমা বেগম।

বিতরন অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গোপালগঞ্জে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল। গত ৩ বছরে ৩৩২ টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রান হারিয়েছেন ২৬৬ জন এবং আহত হয়েছেন ৪৯৩ জন। সড়ক দুর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে তার পরিবার অসহায় হয়ে পড়ে। একইভাবে কেউ আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করলে তার জীবনে নেমে আসে দুর্বিসহ যন্ত্রণা। এ সব কথা মাথায় রেখে সরকার আইন করে ওইসব পরিবারের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তাই দুর্ঘটনায় কেউ মারা যাওয়া বা আহত হওয়া সম্পর্ক আইনের বিষয়টি সাধারণ মানুষের মাঝে প্রচার করতে হবে। দুর্ঘটনায় আহত বা নিহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেয়ে সকলে মিলে দুর্ঘটনা শূন্যের কোটায় পৌঁছে দিতে সকলকে কাজ করতে হবে।

এসময় বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, দুর্ঘটনা কবলিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে উপযুক্ত প্রমানাদিসহ নির্ধারিত ফরমে নিহত কিংবা গুরুতর আহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে, তা ট্রাস্টিবোর্ডে যাছাই-বাছাই পূর্বক অর্থ সহযোগীতা মঞ্জুর করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bartamangopalganj_16011
© All rights reserved © 2025
error: Content is protected !!