রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
গোপালগঞ্জ অগ্নিবীণা শিল্প ও সাহিত্য সংসদের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা জি.এম, সম্পাদক কাজী শরিফুজ্জামান গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুব আলী খানের জানাজা সম্পন্ন টুঙ্গিপাড়ায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ৫ কাশিয়ানী রেলস্টেশন থেকে মনির শেখ (২৪) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মারা গেলেন নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীব শুভ ১১তম জন্মদিন নুসরাত জাহান মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত জনি, দেশে ফিরেও অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ৩ জন নিহত আহত ৩০ মুকসুদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ৩ জন নিহত আহত ৩০ গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নতুন ভবনের উদ্বোধন

গোপালগঞ্জ আজ মুক্ত দিবস

  • Update Time : রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫.৩১ এএম
  • ৩১২ Time View

 

 

গোপালগঞ্জ  :

 

আজ ৭ ডিসেম্বর, গোপালগঞ্জ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত হয়। দিনটি গোপালগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধাদের একটি গৌরবের দিন।

৬ ডিসেম্বর ভারত স্বীকৃতি প্রদান করায় হানাদার বাহিনীর মনোবল ভেঙে পড়ে। চারদিক থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণের খবর পেয়ে পাকিস্তানি সেনারা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন জয়বাংলা পুকুর পাড়ের মিনি ক্যান্টনমেন্ট ছেড়ে পালিয়ে যায়। মেজর সেলিমের অধীনে হানাদার বাহিনীর একটি দল ঢাকা ও অন্য একটি দল কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়ার ওয়্যারলেস ক্যান্টনমেন্টে চলে যায়।

 

৭ ডিসেম্বর এই দিনে সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে-দলে বিভক্ত হয়ে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করেন। হাতে তাদের রাইফেল ও বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত রক্তলাল সূর্য সম্বলিত গাঢ় সবুজ জমিনের পতাকা। মুখে বিজয়ের হাসি। আজ এ শহর মুক্ত। আজ এ শহর সাহসী মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী মানুষের দখলে।

মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে এ দিন তাই পরম পাওয়ার একটি দিন। শত দুঃখ-কষ্ট ও আত্মত্যাগের পর বিজয়ের আনন্দঘন এক মুহূর্ত। পাক সেনারা শহর ছেড়ে পালিয়েছে আর মুক্তিযোদ্ধারা শহরের দিকে আসছে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তিকামী জনতার মনে আনন্দের হিল্লোল বয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে শহরের মুক্তিকামী মানুষ বেরিয়ে আসেন। সূর্যোদয়ের মতো আভা ছড়িয়ে বিস্তৃত করেছিল দিগন্ত। শহরবাসী মেতে উঠেছিল অসীম আনন্দ উৎসবে।

বর্তমানের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ ভবনকে একাত্তরের পাক সেনারা মিনি ক্যান্টনমেন্ট স্থাপন করে।  এখান থেকে শহর ও বিভিন্ন এলাকা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় পাকবাহিনী। এই মিনি ক্যান্টনমেন্টে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক ও মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে এনে নির্যাতন ও হত্যা করা হতো। এখানে ৩৫ জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সমাধি রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bartamangopalganj_16011
© All rights reserved © 2025
error: Content is protected !!