শেখ ফরিদ আহমেদ
গোপালগঞ্জ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গোপালগঞ্জ ২ আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ডা. কে এম বাবর তার নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার করেছেন। আজ শনিবার পৌর সভার ১২ নং ওয়ার্ডের নবীনবাগ এলাকায় এক জনাকীর্ণ প্রচারণা সভায় তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও দলের অবস্থান তুলে ধরেন।
বক্তব্যের শুরুতেই ডা. বাবর বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে বলেন, “এই নির্বাচনে মূলত দুটি পক্ষ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। একটি পক্ষ মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতার পক্ষের, আর অপরটি এর বিরোধী শক্তি জামায়াত এনসিপি যাদের ভোট দিলে আফগানিস্তান পাকিস্তান এবং সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বানাবে। আমরা গর্বিত যে আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা একজন বীর উত্তম সেক্টর কমান্ডার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আমরা স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তি হিসেবেই জনগণের কাছে ভোট প্রার্থনা করছি।”
অন্যান্য প্রার্থীদের সাথে নিজের পার্থক্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “গোপালগঞ্জ থেকে অতীতে যারা এমপি নির্বাচিত হয়েছেন, তারা বেশিরভাগই জেলার বাইরে অবস্থান করেন। কিন্তু আমি ও আমার পরিবার সব সময় গোপালগঞ্জেই বসবাস করি। আমি এবং আমার স্ত্রী এখানেই দিনরাত বিনাশ্রমে সাধারণ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছি। এখানে ছাড়া আমাদের অন্য কোথাও কোনো বাড়ি নেই। আমি আপনাদের ঘরের সন্তান হিসেবে সব সময় পাশে থাকতে চাই।”
ডা. বাবর আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আগামীতে দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে ইনশাআল্লাহ বিএনপি সরকার গঠন করবে। আর সেটি হলে অন্য কোনো দলের বা স্বতন্ত্র এমপির পক্ষে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না। তাই উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত হতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার বিকল্প নেই।”
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচিত হলে গোপালগঞ্জে সরকারি পর্যায়ে ২৪ ঘণ্টা আইসিইউ সিসিইউসহ জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতসহ উন্নত চিকিৎসার সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করবেন। এছাড়া নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ প্রবর্তনের ঘোষণা দেন তিনি। একই সাথে ঢাকা-গোপালগঞ্জ সরাসরি রেল যোগাযোগ পুরোদমে চালুর প্রতিশ্রুতিও দেন এই চিকিৎসক নেতা ডা.কে এম বাবর। তিনি আরো বলেন আমাকে এম পি করলে আপনাদের সিকিউরিটি ম্যান হিসেবে থাকতে চাই । ৫ আগস্ট পরবর্তী যে সকল হয়রানি মূলক মামলা হয়েছে তার দ্রুত নিষ্পত্তি করব অযথা হয়রানি কেউ হবে না।
সভায় প্রবীন ও নবীন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন তন্মধ্যে উল্লেখ্য শিকদার শহিদুল ইসলাম লেলিন, সিরাজ মিয়া, জিয়াউল কবির বিপ্লব। সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন ।
Leave a Reply