বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কাশিয়ানীতে শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন নড়াইলে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার গোপালগঞ্জে নজরুল বর্ষ উদযাপন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত ইফা কর্মকর্তা কল্যাণ অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ নড়াইলের পানিপাড়ায় দেশের প্রথম ভাসমান গলফ ড্রাইভিং রেঞ্জ নির্মাণের কাজ শুরু আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গোপালগঞ্জে কোনো মিছিল-সমাবেশ হয়নি, গ্রেফতার ৬ গোপালগঞ্জে শান্তি-শৃঙ্খলা উন্নয়নে যুবদের ভূমিকা বিষয়ক জনসচেতনতামূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জসহ ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন করেছে সরকার গোপালগঞ্জে ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬০ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

কাশিয়ানীতে শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১.৫৯ পিএম
  • ১৫ Time View

স্টাফ রিপোর্টার:

দীর্ঘ ১৪ বছর আগে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণের পর হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জামাল শেখ, শামীম শেখ ও রঞ্জু শেখ। এছাড়া মাহমুদা খানম ও বিল্লাল শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দণ্ডিত প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ২৩ জন এবং আসামিপক্ষের ৮ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথিপত্র ও উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১২ সালের ৫ জুলাই গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বরাশুর গ্রামের আট বছর বয়সী শিশু মাহফুজকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের পর তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে একই বছরের ২০ আগস্ট মাহমুদা খানমের বাড়িতে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহটি তাদের বাড়ির পাশের একটি মেহগনি বাগানে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় নিহত শিশুর মা স্বপ্না বেগম কাশিয়ানী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২০ নভেম্বর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

পরবর্তীতে ২০১৩ সালে মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এ স্থানান্তর করা হয়। ২০১৪ সালে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার আদালত বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bartamangopalganj_16011
© All rights reserved © 2025
error: Content is protected !!