কোটালীপাড়া প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে আসা বিনোদন প্রেমি দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে মুশুরিয়ার পদ্ম বিল।প্রতিবছর বাংলা শ্রাবন থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমের এই পাঁচ মাস ধরে ফরিদপুর,বরিশাল ও মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিদিন শত শত বিনোদন প্রেমি দর্শনার্থী আসেন মুশুরিয়া বৈদ্যবাড়ী ঘাটে।এ উপজেলার রামশীল ইউনিয়নের ২ শত একর জমি জুড়ে অবস্থিত মুশুরিয়া পদ্ম বিল।এ বিলের মধ্যে অন্তত ৫০ টি স্পষ্ট রয়েছে যেখানে পদ্মফুল ফোটে এবং সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নৌকা এবং ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে করে এসব স্পষ্টের অপরুপ দৃশ্য উপভোগ করেন আগত দর্শনার্থীরা।এবিলের পদ্মফুলের স্পটগুলো ঘুরে দেখতে মুশুরিয়া বৈদ্যবাড়ী ও জহরেরকান্দি জয়ধর বাড়ী নামে দুইটি ঘাট রয়েছে।এরমধ্যে মুশুরিয়া বৈদ্যবাড়ী ঘাটে দর্শনার্থীদের বেশি ভীড় লক্ষ করা গেছে।এঘাট দুটিতে দর্শনার্থীদের আনা নেওয়ার জন্য বাহন হিসেবে ৩০ টি নৌকা ও ইঞ্জিন চালিত একটি ট্রলার রয়েছে।তবে বিকেলের দিকে দর্শনাথীদের ভীড় থাকে বেশি। মুশুরিয়া বৈদ্যবাড়ী ঘাটের নেতৃত্বে থাকা স্বেচ্ছাসেবক সোনাতোন বৈদ্য বলেন আমাদের এ মুশুরিয়া পদ্ম বিলে শ্রাবন মাসের দিকেই পদ্মফুল ফোটে এবং আমরা এখানকার যুবসমাজ প্রতিবছরই আমাদের মুশুরিয়া পদ্মবিলে ভ্রমনে,আসা দর্শনার্থীদের পদ্মফুলের স্পটগুলো উপভোগ করার জন্য নৌকা এবং ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে করে সেবা দিয়ে থাকি কিন্তু এখানে যদি বসার জন্য একটা স্হান করা যেত এবং খাবারের জন্য চা-কফি ফুসকা বা-চটপটির দোকান থাকতো তাহলে দর্শনার্থীরা ভ্রমন শেষে সময় নিয়ে বিশ্রাম করতে পারতো।এতে করে আমাদের এলাকার কিছু বেকার যুবসমাজের কর্মসংস্হানের সৃষ্টি হত।স্হানীয় পোল সমাদ্দার,শুশীল বৈদ্য নিখিল বাড়ৈ,অটল বৈরাগী,
ফিলিপ সমাদ্দার,বিকাশ মধু ও রমনী বৈরাগী বলেন মুশুরিয়া বৈদ্যবাড়ী পদ্মবিলের পুরানো ঘাট।এখানে দর্শনার্থীদের ভীড় থাকে বেশি, আমরা চাই সরকার যেন মুশুরিয়া বৈদ্যবাড়ীর এই পুরানো ঘাটে দর্শনার্থীদের মনোরম পরিবেশের জন্য একটি ভালো বসার স্হান,ঘাটলা এবং গেট করে দেয়।তাহলে দর্শনার্থীদের সংখ্যা আরো বাড়বে এবং মিনি পর্যটন স্পষ্টে পরিনত হবে।
স্হানীয়রা বলেন আমাদের এই মুশুরিয়া বৈদ্যবাড়ী ঘাটে বিকেল বেলা ভ্রমন পিপাসু দর্শনার্থীদের কোলাহলে মুখরিত হয়ে উঠে।এখানে ভালো কোন বিশ্রামের স্হান বা কোন ধরণের খাবারের দোকান না থাকায় ভ্রমন শেষে দ্রুত গন্তব্যে ফিরে যান ভ্রমন পিপাসু দর্শনার্থীরা সরকারের পক্ষ থেকে যদি অন্তত পক্ষে একটি যাত্রী ছাউনি,একটি গেট এবং একটি ঘাটলা করে দিত।তাহলে এখানে একটি মিনি পর্যটন স্পষ্ট হিসেবে পরিচিত পেত এবং এর পাশাপাশি স্হানীয়রা রাস্তার দুইপাশ দিয়ে দোকানপাট বসিয়ে যদি চা-কপি ফুসকা চটপটি সহ জলখাবারের ব্যবস্হা করতো তাহলে এলাকার বেকার অনেক যুব-সমাজের কর্মসংস্হানও সৃষ্টি হত। এদিকে মুশুরিয়া পদ্মবিলের এ-স্পটি পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী মোঃ মাসুম বিল্লাহ।তিনি এই পদ্ম বিলের এই অপরুপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা ভ্রমন পিপাসু দর্শনাথীদের জন্য ভালো একটা বিশ্রামের স্হান নির্মান করার কথা ভাবছেন এবং এখানে মনোমুগ্ধকর পরিবেশে একটি মিনি পর্যটন স্পট করার জন্য সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন
Leave a Reply