শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
গোপালগঞ্জে জমি বিরোধে চাচা-চাচাতো বোনকে পিটিয়ে আহত, মামলা দায়ের গোবিপ্রবি’তে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন গোপালগঞ্জে স্বাধীনতা দিবস ২০২৬: স্বাধীনতা বেদীতে অগ্নি বীনা শিল্প ও সাহিত্য সংসদের শ্রদ্ধাঞ্জলি গোপালগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবসে জেলা স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও পুরস্কার বিতরণী গোপালগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত গোবিপ্রবি’তে যথাযোগ্য মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালিত গোপালগঞ্জে গণহত্যা দিবস পালিত: বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদে প্রশাসক হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ রফিকুজ্জামানের বর্ণাঢ্য অভিষেক ও সংবর্ধনা উৎসবের আমেজে প্রস্তুত গোপালগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ; প্রধান জামাত সকাল ৮টায়। গোপালগঞ্জে সাংবাদিকদের সম্মানে এমপি ডা. কে এম বাবরের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

গোবিপ্রবি’তে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৬.৪৭ এএম
  • ৩৯ Time View

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

এদিন সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ শহরের শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখরের নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। পরে সকাল ১১টায় একাডেমিক ভবনের ৫০১ নম্বর কক্ষে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ও উদ্যাপন কমিটির সভাপতি ড. মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, আজকের মহান স্বাধীনতা দিবসে স্মরণ করছি যারা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে এবং দেশের উন্নয়নে যারা অবদান রেখে চলেছে। অনেক কষ্টার্জিত স্বাধীনতা সত্ত্বেও আমাদের মধ্যে এক ধরনের দৈন্যতা রয়েছে, যেকারণে আমরা সবকিছু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলি। অথচ ফিলিস্তিনের মতো জাতি বোঝে স্বাধীনতার গুরুত্ব কতোটা। মুক্তিযুদ্ধের সময় যে জাতীয়তাবাদী চেতনা জাগ্রত হয়েছিলো এবং বর্তমানে যে জাতীয়তাবাদী শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতায় রয়েছে, তাদের কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা। আমরা বিশ্বাস করি, সম্মিলিতভাবে কাজ করে তারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, এমন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে সত্যি আবেগে আপ্লুত হতে হয়। এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এই দেশ। তবে ভীষণ কষ্ট লাগে। আমরা তাদের ভুলতে বসেছি। যদি মহান সেই মানুষগুলোর অবদান মনে থাকতো, আমরা ব্যক্তিস্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত হতাম না। আমরা মানবীয় গুণাবলিতে ঋদ্ধ হতাম। আমাদের শেকড় ভুলে গেলে চলবে না। সার্বভৌমত্ব রক্ষায়, উন্নত দেশ গড়তে জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণে রেখে আমাদের দেশের জন্য কাজ করে যেতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান বলেন, ৪৭ এর দেশভাগের পর ৫২’র ভাষা আন্দোলন; এর পর আমাদের এই অঞ্চলে এক ধরনের জাগরণ দেখা যায়। যার ধারাবাহিতায় মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়। তবে এখন অবধি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নির্ধারিত হয়নি। অথচ ইতিহাস নির্ধারিত না হলে জাতির দর্শন থাকে না। সেকারণে আমাদের দল-মত নির্বিশেষে সহনশীল হতে হবে। যার যা কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এতে করে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের আশা-আকাক্সক্ষার বাস্তবায়ন ঘটবে।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মজনুর রশিদের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য দেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন মুহাম্মদ রবি উল্লাহ, প্রক্টর ড. এস এম আহসান, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক গাজী মোহাম্মদ মাহবুব, রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান।

এ সময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bartamangopalganj_16011
© All rights reserved © 2025